আমরা শুধু একটি বেটিং সাইট নই — আমরা এমন একটি দল যারা বিশ্বাস করে যে প্রতিটি বাংলাদেশি বেটার সর্বোচ্চ মানের সেবা, স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তা পাওয়ার যোগ্য।
২০১৯ সালে একদল তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও বেটিং বিশেষজ্ঞ মিলে Jet Bass-এর যাত্রা শুরু করেন। উদ্দেশ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের বেটারদের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে ভাষার সমস্যা নেই, পেমেন্টে ঝামেলা নেই এবং গ্রাহক সেবায় হতাশা নেই।
দলের বেশিরভাগ সদস্য নিজেরাই একসময় বেটার ছিলেন। তাঁরা জানতেন যে বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কী কী সমস্যার মুখে পড়তে হয় — ধীরগতির সাপোর্ট থেকে শুরু করে জটিল উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া পর্যন্ত। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই Jet Bass-এর ভিত্তি গড়ে উঠেছে।
আজ Jet Bass বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার লাখো বেটারের কাছে পরিচিত একটি নাম। চট্টগ্রামের জেলেপাড়া থেকে রাজশাহীর ব্যবসায়ী মহল — সব জায়গায় Jet Bass-এর ব্যবহারকারী আছেন। এই বিশ্বাস অর্জন করতে আমাদের অনেক সময় লেগেছে, এবং এটা ধরে রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
"আমরা চাই প্রতিটি বাংলাদেশি বেটার অনুভব করুন যে এই প্ল্যাটফর্মটা তাঁর জন্যই তৈরি — ইংরেজি জানলেও, না জানলেও।"
— Jet Bass প্রতিষ্ঠাতা দল
Jet Bass-এর মিশন হলো বাংলাদেশের প্রতিটি বেটারের কাছে বিশ্বমানের বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া — সহজ ভাষায়, সহজ পেমেন্টে এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে। আমরা চাই প্রযুক্তি ও মানবিক সেবার সমন্বয়ে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে যেখানে বেটিং কেবল বিনোদনের একটি নিরাপদ মাধ্যম।
আগামী পাঁচ বছরে Jet Bass হতে চায় দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসযোগ্য বাংলাভাষী বেটিং প্ল্যাটফর্ম। আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি, স্থানীয় বোঝাপড়া এবং দায়িত্বশীলতার মিশেলে একটি এমন ভবিষ্যৎ তৈরি সম্ভব যেখানে বেটিং শুধু নিরাপদ নয়, মানবিকও।
ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যা Jet Bass-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
Jet Bass-এর পুরো ইন্টারফেস বাংলায়। নিবন্ধন থেকে শুরু করে উইথড্রয়াল পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ বাংলায় করা যায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই — এই প্ল্যাটফর্ম আপনার ভাষায় কথা বলে।
Jet Bass SSL এনক্রিপশন ও দুই-স্তরের যাচাইকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। তৃতীয় পক্ষের কাছে কোনো তথ্য শেয়ার করা হয় না।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যবহারকারী মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। সেটা মাথায় রেখে Jet Bass-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইলের জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। ধীর নেটেও দ্রুত লোড হয়।
বিকাশ, নগদ, রকেট সহ সব জনপ্রিয় বাংলাদেশি মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল করা যায়। কোনো জটিল আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের ঝামেলা নেই।
আমাদের গ্রাহক সেবা দল সপ্তাহের সাত দিন, চব্বিশ ঘণ্টা বাংলায় সাড়া দেয়। লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা ফোনে যেভাবেই যোগাযোগ করুন — দ্রুত সমাধান পাবেন।
Jet Bass-এ দায়িত্বশীল বেটিং কোনো স্লোগান নয়, এটা নীতি। ডিপোজিট সীমা নির্ধারণ, সেলফ-এক্সক্লুশন, কুলিং অফ — সব সুবিধা বিনা বাধায় ব্যবহার করা যায়। আমরা চাই আপনি মজা করুন, চাপে পড়ুন না।
Jet Bass শুধু একটি ব্যবসা নয়। এখানে কাজ করা প্রতিটি মানুষ বিশ্বাস করেন যে ব্যবহারকারীর বিশ্বাস অর্জনই সবচেয়ে বড় পুরস্কার। আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে কিছু মূল মূল্যবোধ।
এই মূল্যবোধগুলো শুধু দেয়ালে লেখা নীতিমালা নয় — এগুলো প্রতিদিনের কাজে, প্রতিটি গ্রাহক সেবায় এবং প্রতিটি পণ্য সিদ্ধান্তে দেখা যায়। যখন আমরা একটি নতুন ফিচার যোগ করি, প্রথম প্রশ্ন হয়: এটা কি ব্যবহারকারীর জীবন সহজ করবে?
অডস, নিয়ম, ফি — সব কিছু পরিষ্কারভাবে জানানো হয়। কোনো লুকানো শর্ত নেই।
ব্যবহারকারীর তথ্য ও অর্থ রক্ষা করা আমাদের প্রথম দায়িত্ব, ব্যবসা নয়।
আমরা বাংলাদেশের বেটিং সম্প্রদায়ের অংশ — কেবল সেবাদাতা নই।
প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেটিং অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করার চেষ্টা চলমান।
প্রতিটি ব্যবহারকারী সমান সুবিধা পান। ছোট বেটার হোন বা বড় — সেবার মান এক।
ভুল হলে স্বীকার করি, দ্রুত সংশোধন করি। কারণ বিশ্বাস একবার হারালে ফেরানো কঠিন।
২০১৯ সালে একটি ছোট্ট অফিস থেকে শুরু হওয়া এই প্ল্যাটফর্ম আজ বাংলাদেশের লাখো মানুষের বিশ্বস্ত সঙ্গী। প্রতিটি বছর নতুন কিছু শিখেছি, নতুন কিছু যোগ করেছি।
এই যাত্রায় সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন আমাদের ব্যবহারকারীরা — যাঁরা তাঁদের মতামত, অভিযোগ এবং পরামর্শ দিয়ে Jet Bass-কে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছেন। তাঁদের ছাড়া এই গল্প সম্ভব হতো না।
ঢাকায় একটি ছোট দল নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম তিন মাসে ১০,০০০ নিবন্ধিত ব্যবহারকারী। ক্রিকেট ও ফুটবল বেটিং দিয়ে শুরু।
Android অ্যাপ প্রকাশ পায় এবং বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্টের সুবিধা যোগ হয়। এই বছরেই ব্যবহারকারী সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
রিয়েল-টাইম লাইভ বেটিং ফিচার চালু হয়। নগদ ও রকেটের মাধ্যমে পেমেন্টের সুবিধা বাড়ে। গ্রাহক সেবা টিম তিনগুণ বড় হয়।
ভিআইপি হাই রোলার প্রোগ্রাম চালু হয়। iOS অ্যাপ প্রকাশ পায়। বেটিং মার্কেট ৩০টিরও বেশি খেলায় বিস্তৃত হয়।
বেটারদের জন্য বিশেষ বিশ্লেষণ সরঞ্জাম যোগ হয়। মাসিক প্রমোশন ক্যালেন্ডার চালু। ব্যবহারকারী সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
৬৪ জেলায় সক্রিয় উপস্থিতি। নতুন পেমেন্ট অপশন ও উন্নত সাপোর্ট সিস্টেম। Jet Bass-এর পরবর্তী অধ্যায় শুরু।
আমাদের দলের মূল মানুষগুলোর সাথে পরিচিত হন।
বেটিং ইন্ডাস্ট্রিতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের বেটারদের চাহিদা বোঝার ক্ষমতাই তাঁকে এই প্ল্যাটফর্ম গড়তে অনুপ্রাণিত করেছে।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স। Jet Bass-এর পুরো টেকনিক্যাল আর্কিটেকচার তাঁর হাতে গড়া। নিরাপত্তা তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার।
৮ বছর ধরে গ্রাহক সেবায় কাজ করছেন। তাঁর নেতৃত্বে Jet Bass-এর সাপোর্ট টিম গড়ে উঠেছে যারা প্রতিদিন হাজারো সমস্যা সমাধান করেন।
দায়িত্বশীল গেমিং নীতি প্রণয়নে তিনি মূল ভূমিকা রাখেন। ব্যবহারকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রতিদিনের কাজ।
Jet Bass বিশ্বাস করে যে বেটিং একটি বিনোদন, এবং প্রতিটি বিনোদনের মতোই এটা সীমার মধ্যে থাকলে আনন্দদায়ক। আমরা চাই না যে কেউ বেটিংয়ের কারণে আর্থিক বা মানসিক চাপে পড়ুন।
সেই কারণেই আমরা প্ল্যাটফর্মের মধ্যেই একাধিক সুরক্ষা ব্যবস্থা রেখেছি। এগুলো ব্যবহার করা কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয় — বরং এটা বুদ্ধিমানের কাজ।
যদি মনে হয় বেটিং আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, আমাদের সাপোর্ট টিমকে জানান। আমরা বিচার করব না — শুধু সাহায্য করব।
নিজেই স্থির করুন কতটুকু খেলবেন
যখন মনে হবে একটু থামা দরকার
বাংলাদেশের লাখো বেটারের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে আজই যোগ দিন। নিবন্ধন বিনামূল্যে, সুবিধা অসীম।